সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিকো সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী মাগুরায় সেই শিক্ষক ও সভাপতির দূর্নীতি দেখার কেউ নেই! মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসের দূর্নীতি নিয়ে তোলপাড়! (পর্ব-১) মাগুরায় চাঞ্চল্যকর অধ্যক্ষ হত্যাকান্ড মূল হোতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাহিরে মাগুরায় অধ্যক্ষ আবদুর রউফ হত্যার আসামীরা কোথায়? মাগুরায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির স্কুল হয় জলসা ঘর মাগুরায় পান্নু চেয়ারম্যানের হাতুড়ীর আঘাতে অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের মৃত্যু মাগুরায় মহিলা মাদ্রাসায় ক্লাব বানানোকে কেন্দ্র করে প্রতি পক্ষের হামলায় সুপারের মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ব্যালট বাক্স শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে ভিডিও, পরে ভোট
মাগুরায় চাঞ্চল্যকর অধ্যক্ষ হত্যাকান্ড মূল হোতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাহিরে

মাগুরায় চাঞ্চল্যকর অধ্যক্ষ হত্যাকান্ড মূল হোতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাহিরে

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরা মহম্মদপুরের ঘোষপুর গ্রামের হাজী মোসলেম উদ্দিনের ছেলে জনপ্রিয় শিক্ষক অধ্যক্ষ আবদুর রউফ হত্যাকান্ডের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। ধরাছোয়ার বাহিরে রয়েছে গেছে হত্যাকান্ডে মুল হোতারা। এমনটাই দাবী করছেন নিহতর পরিবার। তাই সঠিক তদন্তের দাবী জানিয়ে প্রকৃত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীও জানিয়েছেন এলাকাবাসি। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া সম্মিলনি আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুর রউফ একই সঙ্গে মহম্মদপুর উপজেলার হাজী মোসলেম উদ্দীন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড বিএম কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপালন করছিলেন।
২১ মার্চ ২০১৯ইং তারিখে তাকে বড়রিয়া বাজার এলাকায় একা পেয়ে বালিদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যা লোকজন নিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করে, ওই দিন রাতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ২৫ মার্চ সোমবার বিকাল আনুমানিক ৪.১৫ মিনিটের দিকে মাওলানা আব্দুর রউফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাগুরা সদর হাসপাতালে মারা যান।

নিহতের ছোট ভাই মো.আব্দুল ওহাব (মিলন) বাদী হয়ে গত ২৬ মার্চ মহম্মদপুর থানায় চেয়ারম্যান পান্নু মোল্যাসহ ১২ জনকে আসামী করে হত্যা মামলাটি করেন।

এদিকে, গতকাল বৃহঃপতিবার ঘটনার প্রায় অর্ধ মাস পর নিহত অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এখনও কান্না থামেনি ওই পরিবারটির।

আলাপকালে নিহত অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের ছোট ভাই মো.আব্দুল ওহাব (মিলন) কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘কি দোষ ছিল আমার ভাইয়ের। কেন তাকে এত নির্মম ভাবে হত্যা করা হল। আমার ভাইকে যারা নির্মম ভাবে হত্যা করেছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। তাই তিনি এ বিষয়টি কে সামনে এনে সঠিক তদন্তের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ জানান’।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ গ্রামের একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। এলাকায় তার কোন শত্রু“তা নেই। তা হলে কেন তাকে এরকম নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে কেনই বা ঘটনার প্রায় অর্ধ মাস পরও মুল হোতারা গ্রেফতার হয়নি এ নিয়ে বিষ্মিত তারা। একই সাথে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে খুজে বের করে শাস্তি নিশ্চিতের দাবীও জানান তারা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 crimekhobor.Com
Theme Download From ThemesBazar.Com