সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিকো সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী মাগুরায় সেই শিক্ষক ও সভাপতির দূর্নীতি দেখার কেউ নেই! মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসের দূর্নীতি নিয়ে তোলপাড়! (পর্ব-১) মাগুরায় চাঞ্চল্যকর অধ্যক্ষ হত্যাকান্ড মূল হোতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাহিরে মাগুরায় অধ্যক্ষ আবদুর রউফ হত্যার আসামীরা কোথায়? মাগুরায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির স্কুল হয় জলসা ঘর মাগুরায় পান্নু চেয়ারম্যানের হাতুড়ীর আঘাতে অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের মৃত্যু মাগুরায় মহিলা মাদ্রাসায় ক্লাব বানানোকে কেন্দ্র করে প্রতি পক্ষের হামলায় সুপারের মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ব্যালট বাক্স শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে ভিডিও, পরে ভোট
তেল গায়েব ৬০ হাজার লিটার , গোদনাইলের ডিপো ইনচার্জ সাসপেন্ড

তেল গায়েব ৬০ হাজার লিটার , গোদনাইলের ডিপো ইনচার্জ সাসপেন্ড

নারায়ণগঞ্জের গোদনাইলে মেঘনা কোম্পানির স্থানীয় একটি ডিপো থেকে প্রায় ৬০ হাজার লিটার তেল চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় ডিপো ইনচার্জ এসএ খানকে সাসপেন্ড করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও বিপিসি দুটি কমিটি গঠন করেছে। মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর সাইফুল্লা খালেদ বলেন, সম্প্রতি বিপিসি থেকে হঠাৎ করে গোদনাইলের ডিপোতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ডিপোর ট্যাঙ্কার মেপে ৬০ হাজার লিটার তেল কম পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিকভাবে ডিপো ইনচার্জ এসএ খানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য মেঘনা ডিপো থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ,,,তারা রিপোর্ট দিলে বাকিটা জানা যাবে।গোদনাইল মেঘনা ডিপোর একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে বিপিসির একটি দল ডিপোতে আসে। তারা সরাসরি ডিপোর রিজার্ভ ট্যাঙ্ক পরিমাপ ও তেল খালাসের অপেক্ষায় থাকা জাহাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ হাজার লিটার তেল কম পাওয়া যায়। বিপিসি কর্মকর্তারা দেখতে পান জাহাজ থেকে স্থানীয় কয়েকজন ড্রামে করে অবৈধভাবে তেল নামাচ্ছে।এ সময় স্থানীয় ট্যাঙ্কলরি মালিক সমিতির এক সভাপতির সঙ্গে বিপিসি কর্মকর্তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। মূলত চট্টগ্রাম থেকে ওই জাহাজ তেল নিয়ে গোদনাইল ডিপোতে এসেছিল। তেল থাকার কারণে জাহাজের ৩২টি জায়গা সিল করা ছিল। কিন্তু বিপিসি দল অপেক্ষমাণ জাহাজটির প্রায় ৮টি সিল ভাঙা দেখতে পান। আর ওই জায়গাগুলো দিয়েই তেল চুরি করা হচ্ছিল। যেসব সিল ভাঙা ছিল সেটি ডিপো ইনচার্জের অনুমতি ছাড়া সাধারণত জাহাজ মালিকরা ভাঙতে পারেন না। এ অবস্থায় বিপিসি কর্মকর্তারা জাহাজের লোকজনের কাছে জানতে চান, কার নির্দেশে সিল ভাঙা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তখন জাহাজের কেউ সদুত্তর দিতে পারেনি।স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, গোদনাইলের মেঘনা ডিপোকে কেন্দ্র করে তেল চুরির একটি বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার তেল চুরি করে তা বিক্রির টাকা এ সিন্ডিকেটের লোকজন ভাগ করে নেয়। দেড় থেকে দুই মাস আগে ডিপো থেকে প্রায় ৪৩ লাখ টাকার মবিল গায়েব হয়ে যায়। সেই টাকা ডিপো ইনচার্জ এবং স্থানীয় নেতারা সেখানে মাস্টাররুলে চাকরি করে এমন ১১ জনের কাছ থেকে জোর করে আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন। ডিপোর একাধিক কর্মকর্তাও বলছেন, এ ডিপোকে ঘিরে ১০-১৫ জনের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট আছে। যাদের প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকার মালিক।বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গোদনাইলে মূলত কয়েকটি প্রক্রিয়ায় তেল চুরি হয়। এক কারসাজি করে সরাসরি জাহাজ থেকে তেল নামিয়ে তা পাচার করা হয়। মাঝেমধ্যে ডিজেল বা ফার্নেস তেলের সঙ্গে কনডেনসেট বা বাংলা তেল মিশিয়েও চুরি করা হয়। এ ছাড়া বিক্রির সময় প্রতিটি গাড়িতে তেল কম দিয়ে তা চুরি করা। গাড়ি বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময়ও একটি চক্র রাস্তা থেকে তেল চুরি করে।এ বিষয়ে বিপিসি পরিচালক সারোয়ার আলমকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, গোদনাইল ডিপোর ইনচার্জকে বহিষ্কারের একটি চিঠি দেখেছি।… অন্য কোনো ঘটনা আমার জানা নেই।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহিন পারভেজ বরেন, তেল চুরির ঘটনায় ডিপোর একজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে শুনেছি। কিন্তু বিপিসি থেকে যে দল এসেছিল তারা আমাদের কোনো সহযোগিতা নেয়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 crimekhobor.Com
Theme Download From ThemesBazar.Com