রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি বিকো সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী মাগুরায় সেই শিক্ষক ও সভাপতির দূর্নীতি দেখার কেউ নেই! মাগুরায় মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসের দূর্নীতি নিয়ে তোলপাড়! (পর্ব-১) মাগুরায় চাঞ্চল্যকর অধ্যক্ষ হত্যাকান্ড মূল হোতারা এখনও ধরা ছোয়ার বাহিরে মাগুরায় অধ্যক্ষ আবদুর রউফ হত্যার আসামীরা কোথায়? মাগুরায় প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির স্কুল হয় জলসা ঘর মাগুরায় পান্নু চেয়ারম্যানের হাতুড়ীর আঘাতে অধ্যক্ষ আব্দুর রউফের মৃত্যু মাগুরায় মহিলা মাদ্রাসায় ক্লাব বানানোকে কেন্দ্র করে প্রতি পক্ষের হামলায় সুপারের মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ব্যালট বাক্স শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে ভিডিও, পরে ভোট
মুসলিমকে বিয়ে করায় পাসপোর্ট অফিসে গৃহবধূকে চরম হেনস্তা

মুসলিমকে বিয়ে করায় পাসপোর্ট অফিসে গৃহবধূকে চরম হেনস্তা

মুসলিমকে কেন বিয়ে করেছেন? পাসপোর্টের নবীকরণে গিয়ে হেনস্তার শিকার গৃহবধূ। অভিযোগের তির পাসপোর্ট অফিসের সরকারি আধিকারিকের দিকে। অভিযোগ, শুধু হেনস্তাই নয়, মহিলার স্বামী আনাস সিদ্দিকিকে ধর্ম পরিবর্তেনরও পরামর্শ দেন আধিকারিক। একজনের পাসপোর্ট নবীকরণ ও অন্যজনের নতুন পাসপোর্ট তৈরির কাজ ছিল এদিন। অভিযোগ, যার কোনওটাই করেননি ওই আধিকারিক। বরং দুটি পাসপোর্টই আটকে দিয়েছেন। এই ঘটনায় সুবিচারের আশায় বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বারস্থ হয়েছেন ওই দম্পতি। তবে অভিযোগের পরেপরেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন ওই আধিকারিক। দম্পতিকে তাঁদের পাসপোর্টও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, মিশ্র সম্প্রদায়ের ওই দম্পতির বিয়ে হয়েছে ২০০৭ সালে। তাঁদের সাত বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। বিয়ের এত বছর পরে এই ধরনের হেনস্তার ঘটনায় দু’জনেই হতবাক। তাও হেনস্তাকারী একজন সরকারি আধিকারিক। লখনউয়ের বাসিন্দা তনভি শেঠ ও আনাস সিদ্দিকি বর্তমানে নয়ডার একটি বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত। ১১ বছর আগে তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই পরিবারের এই বিয়েতে কোনও আপত্তি ছিল না। সেজন্য বিয়ে করলেও দু’জনের কেউই তাঁদের নাম বা পদবীর পরিবর্তন করেননি। এজন্য পাসপোর্ট তৈরিতে তাঁদের বেশ কয়েকবার সমস্যায় পড়তে হয়। গত বুধবার সেই সমস্যার সমাধানে পাসপোর্ট অফিসে যান তনভি। বলেন, মুসলিমকে বিয়ে করার জন্য তাঁর পাসপোর্ট তৈরি হয়নি। কেননা তিনি নাম পদবীর পরিবর্তন করেননি। অফিসের আধিকারিক একথা শোনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিযোগ, প্রায় চিৎকার করে ওঠেন ওই আধিকারিক কেন হিন্দুকে বিয়ে করেছেন বলে চেঁচামেচি শুরু করেন। সেই সঙ্গে বলেন, সমস্ত নথিতে নাম ও পদবী বদলে ফেলুন। বলার ধরন এতটাই খারপ ছিল যে অফিসের অন্য আধিকারিকরা কাজ থামিয়ে তনভি শেঠকে দেখতে থাকেন। এতটা অপমানিত বিয়ের পর কোনওদিন হননি। তাই কেঁদেই ফেলেন তনভি। এরপরেই স্বামী আনাস সিদ্দিকিকে ডেকে পাঠান ওই সরকারি আধিকারিক। তাঁকেও নাম ও ধর্ম পরিবর্তনের পরামর্শ দেন তিনি। বলাবাহুল্য, এবার নীতি পুলিশের ভূমিকায় সরকারি আধিকারিক। বকাঝকা করার পর ওই দম্পতির যে কোনও একজনকে নাম পদবী ও ধর্ম পরিবর্তন করতে বলেন ওই আধিকারিক। তারপর পাসপোর্টের কাজ স্থগিত করে দিয়ে সহকারী আধিকারিকের কাছে ওই দম্পতিকে পাঠিয়ে দেন। পাসপোর্ট অফিসে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় টুইটারে বিদেশমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ওই দম্পতি। অনুরোধ পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও। ইতিমধ্যেই ওই নীতিপুলিশের ভূমিকায় থাকা আধিকারিককে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। আধিকারিকের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন নেটিজেনরা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 crimekhobor.Com
Theme Download From ThemesBazar.Com