মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাদক কেচা বেচা নিয়ে দু-দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ২০ মেয়ে বোরকা পরায় কটাক্ষ, জবাবে যা বললেন এ আর রহমান তেল গায়েব ৬০ হাজার লিটার , গোদনাইলের ডিপো ইনচার্জ সাসপেন্ড জাতীয় সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম ঝিনাইদহের কাঞ্চননগর মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মহেশপুরে অবৈধ ভাবে কাঠ পোড়ানোর অভিযোগে ৫টি ইট ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা নবীগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে কিন্ডার গার্টেন স্কুল সরকারি স্কুলে কমছে ভর্তির হার বিপিএল ফাইনালে দুই ‘বন্ধুর’ রোমাঞ্চকর লড়াই এক দিনেই এক মিলিয়ন! জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিতে শিল্পপতি শেখ আফিল উদ্দিন এমপি  পঞ্চগড়ে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করতে পারছেন না
সিজারের পর ফিট থাকতে কি করবেন?

সিজারের পর ফিট থাকতে কি করবেন?

সন্তান জন্মের আগে পড়ে নারীদের ওজন অনেক বেড়ে যায়। আবার যারা স্বাভাবিক ডেলিভারিতে সন্তান প্রসব করেন তাদের থেকে যারা সিজার অপারেশনের মায়েদের শরীরে নানা রকম সমস্যা হয়। তাই সিজারের পর শরীরকে ফিট ও ওজন কমাতে মায়েদের অবশ্যই কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

সিজারের পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তিন থেকে ছয় মাস কোন ধরনের ভারী ব্যায়াম বা কড়া ডায়েট করা উচিত না। তবে সিজারের তিন মাস পর থেকে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে বাড়তি ওজন কমানো এবং শরীর ফিট করা বেশ কিছুটা সহজ হয়ে যায়।

বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান
বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো শুধু বাচ্চার জন্যই উপকারী না, এটা মায়ের জন্যও অনেক উপকারী। যেসকল মায়েরা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের ওজন অন্য মায়েদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত দ্রুত কমে যায়। কারণ বুকের দুধের মাধ্যমে বাচ্চাকে পর্যাপ্ত পুষ্টি দিতে গিয়ে মায়ের শরীর থেকে অনেক বেশি ক্যালরি ক্ষয় হয়। যার ফলে ওজন কমে যেতে শুরু করে। এজন্য শুধু জন্মের প্রথম ছয় মাসই নয়, বরং এরপরও বাচ্চাকে অন্তত এক বছর পর্যন্ত নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত।

নিয়মিত হাঁটা শুরু করুন
সিজারের পর ওজন কমানোর জন্য হাঁটা হচ্ছে সব থেকে ভাল উপায়। নিয়মিত হাঁটা শুধু ক্যালরি বার্ন করে না, অপারেশনের পর শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়াতেও সাহায্য করে। যে সকল মায়েরা সিজার অপারেশনের মধ্য দিয়ে যান তাদেরকে সাধারণত অপারেশনের পরদিন থেকেই অল্প অল্প করে হাঁটা শুরু করতে বলা হয়। কারণ হাঁটলে সেলাই দ্রুত শুকায়, রক্ত জমে না এবং ব্যথা কমে দ্রুত। তবে প্রথম ছয় থেকে আট সপ্তাহ খুব আস্তে আস্তে হাঁটতে হবে। তবে যাই করবেন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে করবেন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান
সিজারের মত অপারেশন পর ফিট হতে সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খুবই দরকারি। বিশেষত যারা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্য অতিরিক্ত খাবার অতি জরুরী। কারণ বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ক্যালরি বার্ন হয়ে যায়। এই বাড়তি ক্যালরির ঘাটতি বাড়তি খাবারের মাধ্যমে পূরণ করা উচিত। তবে এই খাবারটি হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত। একজন মায়ের সকাল শুরু হওয়া উচিত একটি স্বাস্থ্যকর নাস্তা দিয়ে। মায়ের খাবারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেলস অথচ অল্প পরিমাণে ক্যালরি থাকতে হবে। সারাদিনে ৫ থেকে ৬ বার অল্প অল্প করে পুষ্টিকর খাবার আর প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।

ভাজা ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন
সকল নতুন মায়েদেরই একটু মিষ্টি বা ভাজা খাওয়ার খেতে ইচ্ছে করতে পারে। তবে তাই বলে ক্ষুধা লাগলেই চিপস বা কেক খাওয়া উচিত নয়। তাহলে আপনি কখনোই শরীর ফিট করে পুরনো ওজন ফিরে পাবেন না। এজন্য ডুবো তেলে ভাজা খাবার, আইসক্রীম, সফট ড্রিঙ্কস এসব যত এড়িয়ে চলা যায় ততই ভাল। এসব খাবারের বদলে তাজা ফল বা সবজি নাস্তা হিসেবে খেলে মা ও বাচ্চা দুজনের জন্যই ভাল হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2018 crimekhobor.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com